আসামে পাঁচ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে খুন করার অপরাধে অপরাধী কে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত।

23rd December 2020 12:55 pm News
আসামে পাঁচ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে খুন করার অপরাধে অপরাধী কে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত।


ক্রমশই প্রশ্নের মুখে পড়ে চলেছে ভারতের নারী নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রায়শই ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উঠে আসছে নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণের ঘটনা। ‌ঠিক এমনই একটি বর্বর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল আসামের ডেকরাই চা বাগানে। গত ২০১৮ শালী ওই চা বাগানে একটি পাঁচ বছরের শিশুকন্যাকে লজেন্স খাওয়ার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ করে মঙ্গল নামক এক পিশাচ ব্যক্তি। ‌তারপরে শিশুকন্যাটিকে শ্বাসরোধ করে খুন করে একটি পুকুরে তার নিষ্প্রাণ দেহটিকে ফেলে দেয়। ‌ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে সে। জানা গেছে ওই শিশুটির আত্মীয় হয় মঙ্গল। এই বর্বোরোচিত ঘটনায় পোকসো আইনের ধারা এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয় মঙ্গলের বিরুদ্ধে। ‌ গতকাল মঙ্গলকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে বিশ্বনাথ জেলা দায়রা আদালত। ‌ বিচারক মঙ্গলকে সাব্যস্ত করে বলেছেন, "জঘন্য এই ঘটনায় অপরাধী মঙ্গল একদমই ক্ষমার অযোগ্য। ‌ তাকে কড়া শাস্তি দেওয়া হল।"

দু'বছর পরে উপযুক্ত বিচার পাওয়ায় ওই শিশু কন্যার পরিবার স্বস্তি পেয়েছেন। ‌ যদিও অপরাধী মঙ্গল তার আইনজীবীর সাহায্য নিয়ে নানাভাবে অপরাধ প্রমাণ করার কাজে বাধা দিয়ে এসেছে। কিন্তু অবশেষে শেষ রক্ষা হলো না তার। ‌ তার এই বর্বোরোচিত কান্ডের জন্য উপযুক্ত সাজা হতে চলেছে তার।





Others News

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।


এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের অন্তর্গত বাগের গ্রামে। এক মহিলাকে ধর্ষণ করার দায়ে অভিযুক্ত এক যুবককে সম্পূর্ণ নগ্ন করে তার গলায় জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে সারা গ্রাম ঘোরানো অভিযোগ উঠেছে। ওই যুবক অভিযোগ করেছে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই তাকে নির্যাতন করেছে গ্রামবাসীরা, যুবককে এইভাবে নির্যাতন করার জন্য,  প্রায় ৯ জন গ্রামবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিগৃহীত যুবকের নাম রাকেশ রাঠোর। তার বয়স প্রায় ২৯ বছর। জানা গিয়েছে ওই গ্রামের ওই মহিলার বাড়িতে গিয়েছিল রাকেশ। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় তাকে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই মহিলার স্বামী এবং রাকেশকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। ‌কিন্তু পরের দিন সকাল বেলায় আবার বেশ কয়েকজন লোক নিয়ে এসে রাকেশের বাড়িতে ঢুকে পড়েন ওই মহিলার স্বামী। তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে রাকেশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে রাকেশ কে মারধর করেন ওই মহিলার স্বামী এবং তার সাথে থাকা লোকজন, তারপরই রাকেশকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়। 

এর পরেই ওই যুবক থানায় অভিযোগ জানায় ‌ । ওই যুবক ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকারি প্রজেক্ট এর সুপারভাইজার। তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে এই অভিযোগ করে পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করে ওই যুবক। পুলিশ তৎপর হয় এই ঘটনায় যদিও ওই মহিলার বয়ান এখনো পায়নি পুলিশ। তবে ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯ জন গ্রামবাসীকে।