নারীকে ভারতবর্ষে দেবী হিসেবে পূজা করা হয়। সৃষ্টির উৎস হলো নারী। কিন্তু বর্তমানে যে নারীকে দেবী রূপে পূজা করা হয় সেই নারীর প্রতি এমন জঘন্য অত্যাচারের নিদর্শন আসছে ভারতের বুকে যাতে ভারতের নারী নিরাপত্তা ব্যবস্থা একদমই প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে। পরপর বেশ কিছু জায়গায় ঘটছে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা। নারী নির্যাতনের ঘটনা যেন ডেইলি রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবার একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে।
দশ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করে নির্মমভাবে খুন করা হলো।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ঋষিকুল কলোনিতে ওই নাবালিকার নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যায়। পুলিশ এলাকায় পৌঁছে এবং আশেপাশের বাড়ি তল্লাশি করার সময় ওই শিশু কন্যার বাড়ির কাছেই একটি তিনতলা বাড়ির কামরায় একটি আলমারি ভিতর থেকে দড়ি বাঁধা ওই বালিকার রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিল রাম তীর্থ যাদব নামক এক ব্যক্তি। ওই ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। জেরায় ওই ব্যক্তি নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছে। আরেক অভিযুক্ত রাজীব এখনো পর্যন্ত পলাতক।
জেরায় অপরাধী স্বীকার করেছে যে ওই মেয়েটিকে সে ভুলিয়ে-ভালিয়ে নিজের কামরায় নিয়ে যায়। তারপর ধর্ষণ করে মেয়েটিকে। বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করার পর মেয়েটিকে শ্বাসরোধ করে খুন করে নরপিশাচ রাম তীর্থ যাদব। তারপর তার হাত-পা বেঁধে মৃতদেহ লোপাট করার উদ্দেশ্যে আলমারিতে ভরে দেয়। কিন্তু ঠান্ডা মাথার খুনি পুলিশকে সাহায্য করেছিল এক সময় ওই মেয়েটিকে খুঁজে বার করার জন্য।
এই ঘটনায় হরিদ্দার জুড়ে প্রবল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকায় পুলিশ পৌঁছলে পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী। প্রশাসন ওই অপরাধীকে কঠিন সাজা দেওয়ার ঘোষণা করেছে।