বর্তমানে ভারতে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনায় প্রশ্নচিহ্ন উঠতে শুরু করেছে ভারতে নারীসুরক্ষা ব্যবস্থার উপরে। হাথরাস থেকে শুরু করে মহারাষ্ট্র , বিহার, রাজস্থান প্রভৃতি একের পর এক জায়গা থেকে নিরন্তর আসছে নারী নির্যাতনের খবর। হাথরাসে পৈশাচিক ধর্ষণের পর নির্যাতিতা তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় সারা ভারতজুড়ে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে। হাথরাসের পর বলরামপুরেও এ রকমই এক পৈশাচিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরপর ভারতের বুকে বেশ কিছু নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।
দিল্লির বুকে নারী নির্যাতনের একটি ঘটনা ঘটেছে যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। প্রায় ২৬ বছরের এক তরুণী যার গুলনাজ, তিনি গার্হস্থ্য হিংসা শিকার হয়েছেন। তার বাবা মায়ের সামনেই তার স্বামী তাকে তিন তালাক বলে ডিভোর্স দিতে চেয়েছেন। জানা গিয়েছে চার বছর আগে ওই তরুণীর বিয়ে হলেও কিছুতেই বাচ্চা হচ্ছিলো না ওই দম্পতির। বাচ্চা না হওয়ায় রীতিমতো লাঞ্ছনা গঞ্জনা সহ্য করতে হতো তাকে, এমনকি তার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজন ক্রমাগত পণ্যের জন্য চাপ দিতো তাঁকে। কয়েকদিন আগে তাকে তীব্র মারধর করে তার স্বামী। এমনকি ঘরে আটকে রাখে। ফোনে কোনমতে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন গুলনাজ । মেয়ের ফোন পেয়ে সাথে সাথে মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে ছুটে যান গুলনাজের বাবা-মা। সেখানেই তাদের কে রীতিমতো হুমকির মুখে পড়তে হয়। গুলনাজের গুণধর স্বামী তার বাবা মায়ের সামনেই গুলনাজকে তিন তালাক বলে ডিভোর্স দেওয়ার চেষ্টা করেন।
বর্তমানে তিন তালাক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ । তারপরেও কিভাবে তার স্বামী তাকে ডিভোর্স কিভাবে তা নিয়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
ভারতীয় দণ্ডবিধির বেশ কিছু ধারায় গুলনাজ তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে তার স্বামীকে এখনো ধরতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তার শশুর শাশুড়িরও নাগাল পাচ্ছে না পুলিশ।
পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন গুলনাজের বাবা-মা।