জেনে নিন জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া কিছু সারকথা। জানলে নিজের জীবনকে সম্পূর্ণ পাল্টাতে পারবেন আপনি

30th September 2020 5:00 pm Information
জেনে নিন জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া কিছু সারকথা। জানলে নিজের জীবনকে সম্পূর্ণ পাল্টাতে পারবেন আপনি


১৯৮৬ সাল নাগাদ আমেরিকার বোস্টন শহরের বুকে ভারী অদ্ভুত একটি পরীক্ষা সংঘটিত হয়েছিল। এক ফাঁসির আসামীর উপরে অদ্ভুত এবং বিস্ময়কর একটি পরীক্ষা সম্পাদন করার বিষয়ে আর্জি জানিয়েছিলেন একদল বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীদের ওই আর্জিতে সম্মতি জ্ঞাপন করেছিল প্রশাসন। ওই আসামিকে বলা হয়েছিল সে কিভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাতে চায়, ফাঁসিতে ? নাকি বিষাক্ত কোবরা সাপ দংশন করানোর মাধ্যমে? উত্তরে ওই আসামি জানিয়েছিল সে বিষাক্ত কোবরা সাপের দংশনেই মরতে চায়। সেইমতো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দিনে ওই আসামিকে একটি চেয়ারে বসিয়ে তার হাত-পা বেঁধে দেওয়া হয়, এবং তার চোখ বেঁধে দেওয়া হয়। তারপর শুধু মাত্র দুটি সেফটিপিন তার হাতে ফুটিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সকলকে অবাক করে দিয়ে মাত্র দুই থেকে তিন মিনিটের মাথায় ওই আসামির মৃত্যু ঘটে। এখন প্রশ্ন হলো ওই আসামির মৃত্যু কিভাবে হল? পোস্টমর্টেম রিপোর্ট থেকে জানা যায় বিষাক্ত সাপের বিষ পাওয়া গিয়েছে তার শরীরের রক্তে। অবাক করার বিষয় টি হল তাকে কোবরা সাপ দ্বারা দংশন করানো হয়নি। তা সত্ত্বেও কিভাবে এই বিষ শরীরে এলো? ওই বিজ্ঞানীরা বলেছেন এই বিষ নিজে থেকেই উৎপন্ন হয়েছিল ওই আসামির শরীরে যা ওই আসামির প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল। ওই বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন মানুষের সংকল্প থেকেই মানুষের মনে নেগেটিভ এবং পজিটিভ এনার্জি জন্ম নেয়। যার জন্য আমাদের শরীরে উৎপন্ন হয় এক ধরনের হরমোন। 

মানব শরীরে ৭৫% রোগের‌ই প্রধান কারণ হলো মানুষের নেগেটিভ চিন্তাভাবনা। মানুষ তার নিজের চিন্তাধারার শিকার হয়ে বর্তমানে নিজের প্রজাতি কে ধ্বংস করতে উদগ্রীব হয়ে উঠেছে। নিজের নেগেটিভ চিন্তা ধারার ফলে আজ মানুষ অন্যতম হিংস্র এক প্রাণীতে পরিণত হয়ে উঠছে। যার জন্য আগামী দিনে মানুষের অস্তিত্বের সংকট ঘনিয়ে এসেছে। 

তাই বহু মনীষী বলে গেছেন, মানুষের সর্বদা চিন্তাধারা রাখা উচিত পজেটিভ বা ইতিবাচক। চিন্তা-ধারা ইতিবাচক হলে তা আমাদের জীবনের পথ প্রদর্শক রূপে গণ্য হয়। জীবনে পজিটিভ চিন্তাভাবনা থাকলে আমরা খুব সহজেই জীবনে সাফল্যের আলোকে উদ্ভাসিত হতে পারি। যেকোনো পরিস্থিতিতে সর্বদা নিজেকে হাসিখুশি রাখতে শিখতে হবে। 

যেকোনো কাজ করতে গেলি আমরা সবসময়ই এটা মনে করি যে আশেপাশের মানুষজন কি ভাববে? এটা চিন্তা করেই আমাদের ২৫ বছর কেটে যায়। তারপরে এই একইভাবে ২৫ বছর থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত আমরা সর্বদা এটা ভেবেই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকি যে, আশেপাশের মানুষ কি ভাববে? কিন্তু যখন আমরা ৫০ বছর পেরিয়ে যাই, তখন আসল সত্যিটা আমাদের মনে ধরা দেয়। সেই আসল এবং চরম সত্যিটা হল যে, "এতদিন কেউ কখনো আমার কথা ভেবে দেখেনি, কেউ আমার কথা চিন্তা করেনি।" কিন্তু বয়সের ভারে এই উপলব্ধিটা আমাদের মনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরেও আমরা আর কিছু ইতিবাচক কাজ করে উঠতে পারি না। ওই বয়সের পরাকাষ্ঠায় পৌঁছে আমাদের শরীর আমাদের মনের আর সঙ্গ দেয় না। তাই সব সময় আমাদের মনে এটা দৃঢ় ভাবে উপলব্ধি হওয়া প্রয়োজন যে আশেপাশের মানুষ কি ভাবল সেই সবে গুরুত্ব দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদেরকে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলতে হবে। আমাদের মন যা চায় সেটাই আমাদের মানসিক শান্তির জন্য অবলম্বন করতে হবে। এর ফলে আমাদের জীবনে আমরা সুখ এবং সফলতার দিশা খুঁজে নিতে পারব। সব সময় আমাদের এটাই জানা উচিত আমাদের একটাই মাত্র জীবন এই জীবনটা আমাদের নিজেদের পছন্দমতো যথাযোগ্য শিষ্টাচার এবং ভদ্রতা বজায় রেখে আনন্দে কাটাতে হবে।





Others News

এই ঠান্ডায় দাঁতের ব্যাথায় জেরবার? বাড়িতেই কিছু জিনিসের সাহায্য দূর করুন দাঁতের ব্যাথা

এই ঠান্ডায় দাঁতের ব্যাথায় জেরবার? বাড়িতেই কিছু জিনিসের সাহায্য দূর করুন দাঁতের ব্যাথা


এবারের ঠান্ডা আগের থেকে অনেকটাই প্রবলভাবে পড়েছে।  শীতকালে শরীরে দেখা যায় বেশ কিছু সমস্যা। বিশেষ করে শীতকালে দাঁতের ব্যথায় অনেকেই কষ্ট পান । কিন্তু অনেকেই এই দাঁতের ব্যথা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য ঘনঘন পেনকিলার খেয়ে থাকেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘনঘন পেইনকিলার খাওয়া শরীরকে ঠেলে দিতে পারে নানা ধরনের সমস্যার দিকে। তাই ঘনঘন পেইনকিলার না খেয়ে, বাড়িতেই বসে মোকাবিলা করতে পারেন দাঁতের ব্যথার। 
যেমন, 

১) আদা দাঁতের ব্যাথা সারাতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাড়িতে একটুকরো আদা নিয়ে সেটা ভালোভাবে চিবিয়ে নিন। তারপরে যে দাঁতটি র জায়গায় ব্যাথা রয়েছে সেই দাঁতের গোড়ায় ভালোভাবে ওই চিবিয়ে নেওয়া আদা রেখে দিন। আস্তে আস্তে ব্যাথা অনেকটাই  হ্রাস পাবে । 

২) রসুন যথেষ্ট কাজ দেয় দাঁতের ব্যাথা সারাতে। যে দাঁতটি তে ব্যাথা থাকবে সেই দাঁতের গোড়ায় রসুন থেঁতো করে তার রস লাগিয়ে দিন। যার ফলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই দাঁতের যন্ত্রণা অনেকটাই প্রশমিত হবে। 

৩) পেয়ারা পাতার রস থেঁতো করে লাগিয়ে নিন যন্ত্রণা হতে থাকা দাঁতের গোড়ায়। এর ফলে খুব তাড়াতাড়িই দাঁতের যন্ত্রণা প্রশমিত হবে।

৪) লবঙ্গ গুঁড়ো করে সেটি নারকোল তেলের সাথে মিশিয়ে সেটা যন্ত্রণা হতে থাকা দাঁতের গোড়ায় লাগিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি খুব দ্রুত দাঁতের ব্যাথা কমিয়ে দেয়।