বর্তমানে ভারতের সাথে সম্পর্ক একদমই ভালো নয় তার দুই প্রতিবেশী দেশ চীন এবং পাকিস্তানের। এই দুই প্রতিবেশী দেশের কাছ থেকে বারবার ভেসে আসছে যুদ্ধের হুংকার। সেইমতো তৈরি হয়ে রয়েছে ভারতও। সীমান্তে রীতিমতো যুযুধান ভারত-চিন। এদিকে পাকিস্তান রীতিমতো সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ভারত দু'জনকেই উপযুক্ত জবাব দিয়ে চলেছে নিরন্তর। আবার এদিকে নেপালের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বরাবরই যথেষ্ট ভাল ছিল। কিন্তু নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি , চিনের উসকানিতে গা ভাসিয়ে ক্রমশই ভারত বিরোধী কথা বলে দেশবাসীকে উসকে দিচ্ছিলেন। এমনকি নেপালি রেডিও চ্যানেলে রীতিমতো ভারতবিরোধী স্লোগান সম্প্রচারিত হচ্ছিল। নেপালের বেশ কয়েকজন নাগরিক আবার ভিডিওবার্তায় ভারতের অত্যন্ত দূর্নাম রটাতে থাকে।
কিন্তু ভারতের সংস্কৃতি সম্পূর্ণ আলাদা। বহুদিন থেকেই ভারতের সংস্কৃতির মধ্যে বৈচিত্র্য শব্দটি প্রাধান্য পেয়ে এসেছে। ভারতের মধ্যে বিভিন্ন ভাষা-ভাষীর মানুষ বসবাস করেন। তাদের সংস্কৃতির সমন্বয় একাত্ম হয়ে থেকেছে ভারত। তাই এক নেপালি ছাত্রীর অতি সংকটজনক অবস্থায় বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে মাঝরাতে সীমান্ত খুলে দিল ভারত। ভারত স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিল যে, প্রতিবেশীর সাথে তারা কখনোই শত্রুর মতো আচরণ করে না। এর পাশাপাশি মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তও স্থাপন করল ভারত।
জানা গিয়েছে ওই নেপালি ছাত্রীর পেটে প্রচন্ড যন্ত্রণা হচ্ছিল। কিন্তু তখন রাত অনেক বেশি থাকায় ওই ছাত্রীর পরিবার নিকটে অবস্থিত উত্তরাখণ্ড হাসপাতালে ছাত্রী টিকে ভর্তি করার জন্য আর্জি জানায় ভারত সরকারের কাছে। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে মাঝরাতে ভারত খুলে দিল ধুরজুল সাসপেন্স ব্রিজ'টি। অবশেষে উত্তরাখণ্ড হাসপাতলে সঠিক চিকিৎসা লাভ করলো ওই নেপালি ছাত্রীটি।
ওই ছাত্রীর পরিবার অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছে ভারত সরকারের প্রতি। আজ ওই ছাত্রীর দুর্দিনে কোনরকম প্রশাসনিক বিধিনিষেধ না দেখিয়ে মাঝরাতে সীমান্ত খুলে ওই ছাত্রটিকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়ায় সকলেই ভারত সরকারের এই মানবিক বিবেচনাকে ধন্য ধন্য করছেন।