পরিবার মানেনি প্রেম। আত্মঘাতী প্রেমিকা। মৃত প্রেমিকার সিঁথি তে সিঁদুর দিয়ে জীবন শেষ করে দিলো প্রেমিক‌ও।

13th October 2020 11:51 am News
পরিবার মানেনি প্রেম। আত্মঘাতী প্রেমিকা। মৃত প্রেমিকার সিঁথি তে সিঁদুর দিয়ে জীবন শেষ করে দিলো প্রেমিক‌ও।


পরিবার মেনে নেয়নি দুজনের প্রেমের সম্পর্ক। কিন্তু গভীর ভালোবাসা গড়ে উঠেছিলো তরুণ তরুণীর মধ্যে। কিন্তু তাদের এই ভালোবাসা মধুর পরিণতি পেলো না। একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ওই মেয়েটি পরিবারের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হয়। ছাত্রীর মৃত্যুতে ভীষণ ভেঙে পড়ে তার প্রেমিক ওই তরুণ। মৃত প্রেমিকার সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে দেয় সে। ‌ এরপরেই মানসিক অবসাদের অন্ধকারে তলিয়ে যেতে থাকে ওই তরুণ। ‌ কিন্তু তার প্রেমিকার মৃত্যুর পর প্রেমিকার পরিবারের লোকজন নিরন্তর গঞ্জনা দিতে থাকে ওই তরুণকে। ওই তরুণ এর নাম হলো অনিমেষ বাগ। তার প্রেমিকার মৃত্যুর পর ওই তরুণ কে পাঠিয়ে দেওয়া হয় তার মাসির বাড়িতে। কিন্তু অবশেষে চরম পরিণতি বেছে নিলো ওই তরুণ। গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হলো ওই তরুণ অনিমেষ‌। এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়পুর এলাকায়। 
তার দেহ উদ্ধার করার পর চাঁদপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ‌ সেখানেই  ডাক্তাররা ওই তরুণকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মাসির বাড়িতে গলায় দড়ি দিয়ে ওই তরুণের মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে ওই এলাকায়। 

মৃত তরুণের পরিবার অভিযোগ করেছে যে ওই তরুণের প্রেমিকা ছাত্রীর আত্মহত্যার পর তার যাবতীয় দায়ভার বর্তানো হয় ওই তরুণ এর উপরে। ছাত্রীর পরিবারের লোকজন রীতিমতো হুমকি দিতে থাকে ওই তরুণ কে। যার ফলে রীতিমতো দিনের পর দিন মানসিক অবসাদের শিকার হয় ওই তরুণ। তার পরিবারের লোকজন কোন আশঙ্কার আঁচ করার দরুন তরুণকে মাসির বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু অবশেষে শেষ রক্ষা হল না। ওই তরুণের পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেছে যে, মৃত ছাত্রীর বাড়ির লোকজন নাকি মারধর করেছে ওই তরুণ অনিমেষকে। যার জন্য ক্রমশ মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে চরম পরিণতি বেছে নিতে বাধ্য হয় এই তরুণ। 

তরুণের পরিবার এটাও অভিযোগ করেছে যে, অনিমেষের সঙ্গে ওই ছাত্রীর সম্পর্ক কিছুতেই মেনে নেয়নি ওই ছাত্রীর পরিবার। ক্রমাগতই ছাত্রীর ওপর অত্যাচারের মাত্রা বাড়াচ্ছিলো তার বাড়ির লোকজন। সেই জন্যই ছাত্রীটি আত্মঘাতী হয়। কিন্তু এর জন্য ছাত্রীর বাড়ির লোক অনিমেষ কে দায়ী করে ক্রমাগত গঞ্জনা এবং হুমকি দিয়ে আসছিলো। এরফলেই আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয় ওই তরুণ। 
পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। সম্পূর্ণ বিষয়টি সুস্পষ্ট ভাবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।





Others News

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।


এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের অন্তর্গত বাগের গ্রামে। এক মহিলাকে ধর্ষণ করার দায়ে অভিযুক্ত এক যুবককে সম্পূর্ণ নগ্ন করে তার গলায় জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে সারা গ্রাম ঘোরানো অভিযোগ উঠেছে। ওই যুবক অভিযোগ করেছে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই তাকে নির্যাতন করেছে গ্রামবাসীরা, যুবককে এইভাবে নির্যাতন করার জন্য,  প্রায় ৯ জন গ্রামবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিগৃহীত যুবকের নাম রাকেশ রাঠোর। তার বয়স প্রায় ২৯ বছর। জানা গিয়েছে ওই গ্রামের ওই মহিলার বাড়িতে গিয়েছিল রাকেশ। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় তাকে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই মহিলার স্বামী এবং রাকেশকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। ‌কিন্তু পরের দিন সকাল বেলায় আবার বেশ কয়েকজন লোক নিয়ে এসে রাকেশের বাড়িতে ঢুকে পড়েন ওই মহিলার স্বামী। তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে রাকেশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে রাকেশ কে মারধর করেন ওই মহিলার স্বামী এবং তার সাথে থাকা লোকজন, তারপরই রাকেশকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়। 

এর পরেই ওই যুবক থানায় অভিযোগ জানায় ‌ । ওই যুবক ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকারি প্রজেক্ট এর সুপারভাইজার। তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে এই অভিযোগ করে পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করে ওই যুবক। পুলিশ তৎপর হয় এই ঘটনায় যদিও ওই মহিলার বয়ান এখনো পায়নি পুলিশ। তবে ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯ জন গ্রামবাসীকে।