প্রতিটি মানুষ চায় তার শরীর থাকুক নীরোগ এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। সেই নিরিখে প্রায় প্রতিটি মানুষ যোগ ব্যায়াম এবং নির্দিষ্ট খাওয়া-দাওয়ার মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ সবল এবং সতেজ রাখার চেষ্টা করেন। বর্তমানে মানুষের মধ্যে শাক সবজি এবং ফল খাওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। টাটকা শাকসবজি এবং ফল অনেকেরই অতি প্রিয়। এ রকমই একটি অত্যন্ত পছন্দের ফল হলো ডাব। নারকেলের পূর্বাবস্থা হল ডাব। এই ডাবের জল বহু মানুষের অত্যন্ত পছন্দের পানীয়। প্রখর গরমে তৃষ্ণার্ত মানুষকে শান্তির আস্বাদ এনে দেয় এই কচি ডাবের জল।
তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি বহু উপকারী দ্বীপ রয়েছে এই ডাবের। যেমন,
১) ডাবের জল শরীরের অভ্যন্তরভাগ কে ঠান্ডা করে। শরীর হয় চনমনে। দূর হয় ক্লান্তি। ত্বক হয় উজ্জ্বল।
২) ডাবের জলে থাকে বিভিন্ন উপকারী খনিজ পদার্থ। যার ফলে ডাবের জল পান করলে শরীরের মধ্যে বিভিন্ন খনিজ পদার্থের সংশ্লেষণ ঘটে।
৩) শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ডাবের জল অত্যন্ত সহায়ক বলে বিবেচিত হয়।
৪) ডাবের জলে রয়েছে অসাধারণ হজম করার ক্ষমতা। তাই মধ্যাহ্নভোজ গুরুতর হয়ে গেলে তারপরে যদি ডাবের জল পান করা যায় তাহলে অতিদ্রুত খাবার হজম হয়।
৫) শরীরের হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ডাবের জল। ডাবের জল পান করলে হাড় হয় মজবুত।
৬) অনেকেই ব্রণর সমস্যায় ভোগেন। মুখের যে স্থানে ব্রণ হয়েছে, সেই স্থানে ডাবের জল লাগাতে থাকলে ব্রণ'র হাত থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায়।
৭) ডাবের জল নখ এবং চুল ভালো রাখতে খুবই সাহায্য করে।
৮) ডাবের জল কিডনির কার্যকারিতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত ডাবের জল পান করলে কিডনি পরিষ্কার থাকে।
৯) যাদের বয়সের তুলনায় ওজন যথেষ্ট কম, তারা ডাবের জল প্রতিদিন পান করতে পারেন। কারণ ডাবের জল নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণে পান করলে শরীরের ক্যালরি বৃদ্ধি পায়।
তবে, যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তারা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডাবের জল পান করবেন না। অথবা যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে তাদের ডাবের জল এড়িয়ে যাওয়াই অত্যধিক শ্রেয়। তবে এক্ষেত্রে তারা ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।