বর্তমানে ভারতে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনায় প্রশ্নচিহ্ন উঠতে শুরু করেছে ভারতে নারীসুরক্ষা ব্যবস্থার উপরে। হাথরাস থেকে শুরু করে মহারাষ্ট্র , বিহার, রাজস্থান প্রভৃতি একের পর এক জায়গা থেকে নিরন্তর আসছে নারী নির্যাতনের খবর। এবার আরেকটি জঘন্য গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ওড়িশার কটকে।
এক নাবালিকা কিশোরীকে পোলট্রি ফার্মে আটকে রেখে টানা ২২ দিন ধরে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে।
জানা গিয়েছে নিগৃহীতা ওই কিশোরীর বাড়ি হল ওড়িশার জগৎসিংহপুর জেলায়। বাড়িতে অশান্তি করে ওই নাবালিকা পালিয়ে এসে বসেছিলো কটকের একটি বাসস্ট্যান্ডে।
সেখানেই এক দুষ্কৃতী এসে ওই কিশোরীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নাম করে নিয়ে যায় গতিরতপটনা গ্রামে। সেখানে পোল্ট্রি ফার্মে জোর করে আটকে রাখা হয় ওই কিশোরীকে। ওই দুষ্কৃতী এবং তার এক বন্ধু মিলে টানা ২২ দিন ধরে আটকে রেখে ওই কিশোরীকে পরপর ধর্ষণ করতে থাকে। পোলট্রি ফার্মের কাছাকাছি কারো বাড়ি না থাকায় কেউ প্রথমে ঘুণাক্ষরেও টের পাননি যে এই ধরণের কান্ডকলাপ চলছে।
কিন্তু একদিন কিশোরীর চিৎকার এসে পৌঁছায় এক গ্রামবাসীর কানে। তখন অন্যান্যরা মিলে খবর দেয় পুলিশে। পুলিশ এসে ওই কিশোরীকে বিধ্বস্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। তার মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়েছে। পুলিশ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। এই কুকর্মে তার অপর সঙ্গী পলাতক। ২২ দিন টানা ধর্ষণের ফলে ওই অসহায় কিশোরী অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
উপযুক্ত অপর ব্যক্তির বিরুদ্ধে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।