আগামী ২৩ শে অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে বাঙালির বহু প্রতীক্ষিত দূর্গাপূজা। করোনার এই আবহের মধ্যে যাতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং সতর্কতা বজায় রেখে মানুষ পূজা উপভোগ করতে পারেন, তার জন্য সতর্কতা জারি করেছিলো প্রশাসন। কিন্তু ক্রমাগত সচেতনতাই যে সার সেকথা চোখে আঙুল দিয়ে প্রমাণ করে বাংলাবাসী রীতিমতো শপিং এবং হৈ হুল্লোড়ে মেতে উঠেছিলো। শারীরিক দূরত্ব বৃদ্ধি শিকেয় তুলে কলকাতাবাসী ভিড় জমাতে শুরু করেছিলো সদ্য সমাপ্ত প্যান্ডেলে। এই বিষয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিলো কলকাতা হাইকোর্টে। তার কারণ , এভাবে যদি শারীরিক দূরত্বকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মানুষের জনসমাগম হয় তাহলে করোনার ঢেউ আছড়ে পড়া অবশ্যাম্ভাবী। তাই এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করলো যে এই বছরে দূর্গাপূজায় কেউ কোনো প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখতে পারবে না।
কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশিকা দিয়েছে যে,
সমস্ত মণ্ডপে কোন দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন না।
যারা পুজো কমিটির সাথে যুক্ত থাকবেন তাঁদের নামের তালিকা বানিয়ে তা টাঙিয়ে দিতে হবে প্যান্ডেলের সামনে।
সমস্ত মন্ডপ গুলিকে নো এন্ট্রি জোন ঘোষণা করা হল।
মন্ডপের বাইরে ৫ মিটার থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখতে হবে। যারা পূজো কমিটির সাথে যুক্ত, তাঁরাই কেবলমাত্র ওই ব্যারিকেডের মধ্যে ঢুকতে পারবেন।
আদালত জনগণকে পরামর্শ দিয়েছে যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অথবা টিভিতে পূজো পরিক্রমা দেখতে।
কলকাতা এবং রাজ্যের সমস্ত পূজা কমিটিগুলোকে এই নির্দেশ মেনে চলতে বলা হয়েছে।