ঘটেছে উত্তরপূর্ব দিল্লির তাহিরপুর এলাকায়। মাসখানেক আগে ভাকিল পোদ্দার নামে ওই ব্যক্তি ১৭ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। সেই ধর্ষণ লুকোতে ভাকিল পোদ্দার ও তার স্ত্রী খুন করে ওই কিশোরীকে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ভাকিল পোদ্দারের সাথে পড়াশোনা করার জন্য থাকত ওই কিশোরী। দিল্লির লেপ্রোসি কলোনিতে বসবাস করত। ২৫ শে অক্টোবর ওই কিশোরীর লাশ পায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশকে বিভ্রান্ত করার জন্য ওই মহিলা জানিয়েছিলেন কাজ থেকে ফিরে এসে বিকেলে তার ভাইজিকে ঘরে দেখতে পাননি তিনি। তার স্বামীকে জিজ্ঞাসা করায় জানায় চৈত্র মাস ভাইজিকে একটি আশ্রম এ দিয়ে এসেছে সে। গাজিয়াবাদের একটি আশ্রমের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
কিন্তু পুলিশ শনাক্ত করে জানতে পেরেছেন ওই কিশোরীর সাথে সাথে ভাকিল পদ্মায় নিখোঁজ হয়ে যায়। আশ্রমের খোঁজখবর নেয়া হলে কোন সূত্র আবিষ্কার করা যায়নি। ওখানকার স্থানীয়দের কাছ থেকে ধর্ষণের কথা জানতে পারে পুলিশ। পুলিশ ধাকিল এর মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে তার অবস্থান নির্ধারণ করে। ভাকিল কে বিহার থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেই সূত্র থেকে জানা যায় ভাইজির সাথে যৌন মিলন করতে চেয়ে ছিল। কিন্তু ভাইঝি রাজি হয়নি তাতে। সব কথা জেনে ভাকিলের স্ত্রী ওই কিশোরীকে গ্রামে পাঠিয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু পড়াশোনার জন্য কিশোরী যেতে চাইনি।
এর ফলেই ২৩ শে অক্টোবর ওই দম্পতির মধ্যে তুমুল অশান্তি শুরু হয়। এর পরেই ভাকিল এর স্ত্রী কিশোরীকে খুন করার জন্য বলে। লোহার রড দিয়ে মাথায় মেরে তাকে খুন করা হয়। প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করলেও তারা কোন প্রমাণ লোপাট করতে পারেনি।
পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে এই মিথ্যাচাল বলে পুলিশের অনুমান।