দিল্লিতে ক্রমেই বাড়ছে কৃষক আন্দোলনের ব্যাপকতা। অমিত শাহ প্রস্তাব দিয়েছিলেন বিক্ষোভকারীদের সাথে শর্তসাপেক্ষে আলোচনা করার। কিন্তু বিক্ষোভকারী কৃষকরা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং দিল্লি হরিয়ানা সীমান্তে ব্যাপক পরিমাণে কৃষকদের সমাবেশ ঘটেছে। কৃষকরা রীতিমতো হুমকি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারকে যে তারা অবিলম্বে দিল্লি অবরুদ্ধ করে দেবে। প্রতিদিন হাজার হাজার সংখ্যায় কৃষক এসে জড়ো হচ্ছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে গতকাল রবিবার রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার বাড়িতে জরুরী বৈঠক সম্পন্ন করেছেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার। কৃষকরা কেন্দ্রীয় সরকারকে হুমকি দিয়েছে যে তাদের সমস্যার সমাধান না করা হলে তারা জয়পুর থেকে শুরু করে সোনিপথ , গাজিয়াবাদ, মথুরা, দিল্লি সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় প্রবেশ পথ রুদ্ধ করে রাখবেন। কৃষক বিদ্রোহের এই ব্যাপকতায় গাজীপুর থেকে শুরু করে টিকরি, সিংঘু , প্রভৃতি সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।
এবার আন্দোলনকারী কৃষকরা আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ ৮ ই ডিসেম্বর দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। আন্দোলনকারী কৃষকরা বলেছেন তারা দিল্লি আসার সমস্ত রাস্তা অবরোধ করবেন। সেই সাথে সমস্ত হাইওয়ে টোল অবরোধ করবেন তারা। ঐদিন টোল আদায় করা যাবে না বলে জানিয়েছে বিক্ষোভকারী কৃষকরা।
সংগঠনের এক নেতা হরবিন্দ সিংহ লাখোয়াল বলেছেন, "এই আন্দোলনকে বন্ধ করার কোনো সরকারের সাহস নেই। আগামী ৮ ই ডিসেম্বর আমরা সমস্ত ভারত জুড়ে ধর্মঘট পালন করব।"
এই কৃষক বিদ্রোহ কে সমর্থন করেছে কংগ্রেস সহ সিপিএম, তৃণমূল সকলেই । পশ্চিমবঙ্গেও অবরোধ আন্দোলন হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।