বর্তমানে করোনা আবহে সারা ভারতের অর্থনীতি অন্ধকারে মুখ থুবড়ে পড়েছে। ভারতের বিভিন্ন ক্ষেত্র গুলি প্রভূত ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এই বিশ্ব মহামারীর প্রকোপে পড়ে। ভারতীয় রেল বিস্তর ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এই মহামারীর আবহে। তবুও লকডাউনের পর্যায়ে প্রায় ২০০ টি রেলওয়ে প্রজেক্ট কে সম্পূর্ণতা দিয়েছে ভারতীয় রেল। বেশ কিছু উন্নত প্রযুক্তি বিশিষ্ট রেল ইঞ্জিন নির্মাণ করেছে ভারতীয় রেল।
রেল তৈরি করেছে মেড ইন ইন্ডিয়া রেল ইঞ্জিন। এই দুটি আধুনিক প্রযুক্তি বিশিষ্ট রেল ইঞ্জিন তৈরি করা হয়েছে চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ ওয়ার্কসে। জানা গিয়েছে এই ইঞ্জিন ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটার গতিতে দৌড়াতে সক্ষম। এই রেল ইঞ্জিন চলবে দিল্লি-মুম্বাই এবং দিল্লি-কলকাতা রুটে । জানা গিয়েছে এই রেল ইঞ্জিন এর ক্ষমতা হতে চলেছে প্রায় ৬০০০ হর্সপাওয়ার বিশিষ্ট। ভারতীয় রেল ইঞ্জিন তৈরি করেছে সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে যাতে এই ইঞ্জিন থেকে খুব বেশি দূষণ ছড়াবে না। এছাড়াও এই ইঞ্জিন থেকে শব্দ উৎপন্ন হবে যথেষ্ট কম। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে বানানো হয়েছে মেড ইন ইন্ডিয়া প্রোজেক্টের এই ইঞ্জিন।
তবে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা গতিতে দৌড়ানোর জন্য সুবিধাজনক রেলওয়ে ট্র্যাক কি ভারতের রয়েছে ?
কিন্তু এর সমস্যার সমাধান রয়েছে ভারতীয় রেলের হাতে। রেল জানিয়েছে, ডেডিকেটেড ফন্ট করিডর নির্মাণ করে এই রেল ইঞ্জিন গুলিকে ছোটানো হবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী ২০২২ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই এই দুটি রুটে ফন্ট করিডর তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে। এর ফলে আগামী ২০২২ সালেই এই উন্নত প্রযুক্তির রেল ইঞ্জিন, রেলওয়ে ট্র্যাকে ছোটানোয় আশাবাদী ভারতীয় রেল।