টুইটারের মাধ্যমে আলাপ করার পর মোট ৯ জনকে নৃশংসভাবে খুন করেছে এক যুবক। মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত।

16th December 2020 2:01 pm News
টুইটারের মাধ্যমে আলাপ করার পর মোট ৯ জনকে নৃশংসভাবে খুন করেছে এক যুবক। মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত।


মনুষ্য সমাজের মধ্যে অনেক সময় এমন কিছু অপরাধ ঘটে থাকে যা রীতিমতো স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। কিছু ঘটনার ভয়াবহতা এবং নৃশংসতা দেখে শিউরে উঠতে হয় আমাদের। এ রকমই একটি বর্বরোচিত এবং অত্যন্ত নৃশংস ঘটনা ঘটেছে জাপানে। 

জাপানে অপরাধী যে 'টুইটার কিলার' নামে পরিচিত, সেই যুবক তাকাহিরো শিরাইশিকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে টোকিওর আদালত। জানা গিয়েছে মোট ৯ জনকে টুইটারে যোগাযোগ করার পর নৃশংস ভাবে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ টুকরো টুকরো করে কেটে খুন করতো এই তাকাহিরো। মানসিকভাবে ভেঙে পড়া কিশোরী অথবা তরুণীদের টুইটার অ্যাকাউন্টে ফলো করতো এই অপরাধী। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ওই কিশোরীরা যখনই মৃত্যুর ইচ্ছা প্রকাশ করত সোশ্যাল মিডিয়ায় তখনই টুইটার মারফত তাদের সঙ্গে আলাপ পরিচয় করত তাকাহিরো। তারপরেই তাদেরকে বোঝাতো যে, সে তাদের আত্মহত্যা করার সবথেকে মসৃণ উপায় বলে দেবে এবং তাদের সঙ্গে সে নিজেও আত্মহত্যা করবে। তারপরেই নিজের জায়গায় ওই কিশোরীদের ডেকে এনে তাদের নৃশংস ভাবে  শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে হত্যা করত এই পৈশাচিক তাকাহিরো। 

২০১৭ সালের মধ্যেই সে এইভাবে মোট ৯ জনকে হত্যা করেছিলো। তারপরে সে জালে ধরা পরে পুলিশের কাছে। তিন বছর বাদ টোকিওর আদালত তাকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে।

মারাত্মক এই অপরাধী সমগ্র জাপানে টুইটার কিলার নামে পরিচিত। ঘটনার নৃশংসতা দেখে সম্পূর্ণ স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছে বিশ্ববাসী।





Others News

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।


এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের অন্তর্গত বাগের গ্রামে। এক মহিলাকে ধর্ষণ করার দায়ে অভিযুক্ত এক যুবককে সম্পূর্ণ নগ্ন করে তার গলায় জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে সারা গ্রাম ঘোরানো অভিযোগ উঠেছে। ওই যুবক অভিযোগ করেছে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই তাকে নির্যাতন করেছে গ্রামবাসীরা, যুবককে এইভাবে নির্যাতন করার জন্য,  প্রায় ৯ জন গ্রামবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিগৃহীত যুবকের নাম রাকেশ রাঠোর। তার বয়স প্রায় ২৯ বছর। জানা গিয়েছে ওই গ্রামের ওই মহিলার বাড়িতে গিয়েছিল রাকেশ। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় তাকে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই মহিলার স্বামী এবং রাকেশকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। ‌কিন্তু পরের দিন সকাল বেলায় আবার বেশ কয়েকজন লোক নিয়ে এসে রাকেশের বাড়িতে ঢুকে পড়েন ওই মহিলার স্বামী। তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে রাকেশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে রাকেশ কে মারধর করেন ওই মহিলার স্বামী এবং তার সাথে থাকা লোকজন, তারপরই রাকেশকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়। 

এর পরেই ওই যুবক থানায় অভিযোগ জানায় ‌ । ওই যুবক ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকারি প্রজেক্ট এর সুপারভাইজার। তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে এই অভিযোগ করে পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করে ওই যুবক। পুলিশ তৎপর হয় এই ঘটনায় যদিও ওই মহিলার বয়ান এখনো পায়নি পুলিশ। তবে ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯ জন গ্রামবাসীকে।