ছেলের বিয়ের পরেই তার শাশুড়ি কে নিয়ে পালালেন ছেলের বাবা। মজাদার ঘটনা মুর্শিদাবাদে।

18th December 2020 5:22 pm News
ছেলের বিয়ের পরেই তার শাশুড়ি কে নিয়ে পালালেন ছেলের বাবা। মজাদার ঘটনা মুর্শিদাবাদে।


এক দারুণ মজার ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদে। আদতেই ঘটনাটি শুনে মজার মনে হলেও অনেকেই বলেছেন ঘটনাটি নিন্দনীয়। ‌
মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায় উক্ত ঘটনাটি ঘটেছে। ‌ ফারাক্কার বাসিন্দা আলম শেখ এর নাবালক পুত্রের সাথে বিয়ে হয়েছিল খুন্তি পাড়া বাসী সালমা বিবির নাবালিকা কন্যার সাথে। তারপরেই আলম শেখ এর সাথে সালমা বিবির ঘনিষ্ঠতা শুরু হয়। এবং এক সময় তারা শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রায়শই ছেলের শ্বশুর বাড়িতে যেতেন আলম শেখ এবং ছেলের শাশুড়ির সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতেন। স্বামী কে না জানিয়ে তার নাবালিকা কন্যার বিয়ে দিয়েছিলেন সালমা। এই ঘটনায় বেজায় চটে যান সালমার স্বামী। ‌ তার পরেই তিনি জানতে পারেন সালমা এবং আলম শেখ এর এই অবৈধ সম্পর্কের সমস্ত ঘটনা। দুই বাড়িতে প্রবল অশান্তি শুরু হয়। এরইমধ্যে সালমাকে নিয়ে গায়েব হয়ে যান আলম। ‌
দুই পরিবারের লোকেরা খুঁজে থাকে তাদের। ‌ তারপরেই সামশেরগঞ্জ এর একটি এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে আলম শেখ এবং সালমা বিবিকে পাওয়া যায়। ‌ হুলস্থূল শুরু হয়ে যায় ঘটনাস্থলে। জড়ো হয় পাড়া-প্রতিবেশীরা। পুলিশ এসে ওই দুজনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। 

তার পরই জানা যায় সম্পূর্ণ অন্য একটি ঘটনা। জানা গিয়েছে অনেক দিন থেকেই সালমা এবং আলম শেখ এর মধ্যে সম্পর্ক চলছিল। এই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় বন্ধনে মজবুত করার জন্য নিজেদের ছেলে মেয়ের বিয়ে দিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারা। ‌ কিন্তু সালমার স্বামী সমস্ত কিছু জেনে যাওয়ায় তাদের এই পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।





Others News

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।

যৌন নির্যাতনের দায়ে এক যুবককে নগ্ন করে প্রকাশ্যে ঘোরানো হলো রাজস্থানে।


এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে রাজস্থানের অন্তর্গত বাগের গ্রামে। এক মহিলাকে ধর্ষণ করার দায়ে অভিযুক্ত এক যুবককে সম্পূর্ণ নগ্ন করে তার গলায় জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে সারা গ্রাম ঘোরানো অভিযোগ উঠেছে। ওই যুবক অভিযোগ করেছে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই তাকে নির্যাতন করেছে গ্রামবাসীরা, যুবককে এইভাবে নির্যাতন করার জন্য,  প্রায় ৯ জন গ্রামবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। 

নিগৃহীত যুবকের নাম রাকেশ রাঠোর। তার বয়স প্রায় ২৯ বছর। জানা গিয়েছে ওই গ্রামের ওই মহিলার বাড়িতে গিয়েছিল রাকেশ। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় তাকে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই মহিলার স্বামী এবং রাকেশকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। ‌কিন্তু পরের দিন সকাল বেলায় আবার বেশ কয়েকজন লোক নিয়ে এসে রাকেশের বাড়িতে ঢুকে পড়েন ওই মহিলার স্বামী। তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে রাকেশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে রাকেশ কে মারধর করেন ওই মহিলার স্বামী এবং তার সাথে থাকা লোকজন, তারপরই রাকেশকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়। 

এর পরেই ওই যুবক থানায় অভিযোগ জানায় ‌ । ওই যুবক ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকারি প্রজেক্ট এর সুপারভাইজার। তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে এই অভিযোগ করে পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করে ওই যুবক। পুলিশ তৎপর হয় এই ঘটনায় যদিও ওই মহিলার বয়ান এখনো পায়নি পুলিশ। তবে ওই যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৯ জন গ্রামবাসীকে।